Monday, May 17, 2010

অনুমোদন

বাঁকিয়ে চুরিয়ে, ভেঙ্গে গলিয়ে, পুড়িয়ে, ছাঁচে ফেলে,
মানুষ  তৈরী  করা যায় না? মানুষ বদলানো যায় কি?
এত খামতি, কমতি, অপূর্ণতা, দোষগুণ, ডিফেক্ট-হ্যান্ডিক্যাপ
নিয়ে খাপছাড়া, বেমালুম, বেঁচে থাকার, বিদ্ঘুটে উল্লাসে মেতে
ওঠার পিছনে কার্য্যকারণ জানতে চাই নি তো কোনদিন!
চাইলেও উত্তরের আশা তো করিনি তোর মত বোকা-হাঁদার কাছে!
একটু একটু করে সবাই বদলায়,ইভল্ভ করে ডাইনামিকালি;
অবস্থার সাথে পাল্টায়ে,  হাঁটতে থাকে অ্যাডায়বেটিকালি;
আমি চাই প্রসেসটা কে আর একটু  ত্বরান্বিত করতে, আর একটু
বেশি নিজেকে কষ্ট দিতে, একটু একলা, একটু খ্যাপা, হতে চাই জ্যস্ট!
খুব বেশি কিছু চাইছি কি? বড্ড বেশি এক্সপেক্ট করে ফেলছি?
তোকে বিরক্ত করছি? ইন্টালেক্‌চুয়ালি ম্যাস্টার্বেট করছি?
নিজেকে, সময়কে, জীবন কে নষ্ট করছি?  বেশি পারফেক্‌শন চাওয়াটা
অন্যায়? হিস্টেরিক? জীবন-চুম্বকের আকর্ষণেও তো হিস্টেরেটিক ক্ষয়?
"হিস্টের" গ্রীক রুট। মানে "গর্ভ";  নারীর গর্ভই নাকি যত উন্মাদনার উৎস!
এমনি মনে করতেন প্রাচীন পিতৃপুঙ্গবেরা। তাদের চেয়ে আমি আর
মন্দ কিসে? শোলোক বলা ভাঁওতা বা ট্র্যাজিক কাজলা দিদি সেন্টু তো
দিচ্ছি না! জোর করে বিপ্লব করছি না, বড় বড় বুকনিও ঝারছি না।
ধ্রুব  সত্য আগলে কোন কেষ্টই বাঁচে না, অলীকের রঙ্গিন চশমা পরেই
আমরা জীবন কাটাই। সেই ভাল। কিন্তু  মাঝে মাঝে দেখতে চাই
গ্রেস্কেলে, সাদায়-কালোয়, আলোয়-আবছায়ায়ে, নগ্ন বীভৎসতায়,
খাদের নিচটায়। বিড়ি ফুঁকতে চাই শ্মশানের নেক্রোফিলিক কাপালিকের
সাথে বসে। এটুকু মেনে নিতে না পারলে, সেন্টু খেয়ে গেলে, জজের পরচুলা,
জোব্বা খুলে একবার অবাধ ভেজা চুমে খেতে না পারলে,
তুই প্রেমিকা না ঈশ্বর যেই হোস, সরে পর। স্রেফ সরে পর!

No comments: